ঢাকাবৃহস্পতিবার, ২৬শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৫:৩১
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দেশের যোগাযোগ ও পরিবহন খাতের উন্নয়নে সরকারের নেওয়া বড় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের কাজ শেষ হতে যাচ্ছে আগামী বছর

দৈনিক স্বরবর্ণ
নভেম্বর ১৩, ২০২১ ২:১৭ অপরাহ্ণ
পঠিত: 97 বার
Link Copied!

দেশের যোগাযোগ ও পরিবহন খাতের উন্নয়নে সরকারের নেওয়া বড় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের কাজ শেষ হতে যাচ্ছে আগামী বছর। আলোচিত পদ্মা সেতু আগামী জুনের মধ্যে চালু হবে। এর ফলে দেশের আটটি বিভাগই সরাসরি সড়ক যোগাযোগের আওতায় চলে আসবে। ঢাকাবাসী ইতিমধ্যে দেশের প্রথম মেট্রোরেলের পরীক্ষামূলক চলাচল দেখেছে। আগামী বছরের শেষের দিকে এই ট্রেন যাত্রী নিয়ে চলাচল করবে। কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মাণাধীন দেশের প্রথম পাতালপথও (টানেল) চালুর কথা আগামী বছরের শেষে। বিশেষজ্ঞ মত হচ্ছে, দেশের আলোচিত এসব অবকাঠামো চালু হলে যোগাযোগ ও পরিবহন খাত নতুন যুগে প্রবেশ করবে।

সরকার ১০টি বড় প্রকল্পকে অগ্রাধিকারের তালিকায় (ফাস্ট ট্র্যাক) রেখেছে। এর মধ্যে যোগাযোগ খাতের প্রকল্পগুলো হচ্ছে: পদ্মা সেতু, পদ্মার দুই পারে রেলসংযোগ স্থাপন ও মেট্রোরেল প্রকল্প। কর্ণফুলী টানেল অগ্রাধিকারের তালিকায় না থাকলেও এটি বড় প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত। সরকারের নীতিনির্ধারকেরা মনে করেন, আগামী সংসদ নির্বাচনের আগে এগুলো চালু করে ভোটে মানুষের মন জয় করার চেষ্টা করবে আওয়ামী লীগ।

এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে কর্ণফুলী টানেলের কাজই সময় মেনে এগিয়েছে। এখনো প্রকল্পের ব্যয় বাড়েনি। বাকি দুটি প্রকল্পই নির্ধারিত সময়ের কয়েক গুণ বেশি সময় লাগছে। পদ্মা সেতু প্রকল্পের ব্যয়ও বেড়েছে তিনবার। পদ্মা সেতুকে ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলে সড়ক ও সেতু নির্মাণে সরকার বিপুল বিনিয়োগ করেছে।

আশির দশকে দেশের যোগাযোগ খাতে বৃহৎ অবকাঠামো নির্মাণের ধারা শুরু হয়েছিল। গত এক যুগে এই খাতে বিনিয়োগ আরও বেড়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় স্বাধীনতার ৫০ বছরে এসে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেলের মতো ‘আইকনিক’ বা নতুন যুগে প্রবেশের স্মারক অবকাঠামোগুলো চালু হওয়ার দ্বারপ্রান্তে।

পদ্মা সেতু এখন পূর্ণতার পথে

পদ্মা সেতু প্রকল্পের কাজ শেষ করার নির্ধারিত সময় আগামী বছরের জুনে। সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচলের জন্য এখন পিচঢালাই চলছে। এরপর আলোকসজ্জার কাজ করতে হবে। এর বাইরে গ্যাস পাইপলাইন বসানোর কাজ চলমান। গত ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক কাজের অগ্রগতি ৮৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এর মধ্যে মূল সেতুর কাজ শেষ হয়েছে ৯৫ শতাংশ।

পদ্মা সেতু নির্মাণে সম্ভাব্যতা যাচাই সম্পন্ন হয় ২০০৫ সালে। প্রকল্প নেওয়া হয় ২০০৭ সালে। ব্যয় ধরা হয়েছিল ১০ হাজার ১৬২ কোটি টাকা। কিন্তু নানা জটিলতায় সাত বছর পর মূল সেতুর কাজ শুরু হয় ২০১৪ সালে। চার বছরের সময়সীমা ধরা ছিল। কিন্তু সময়মতো বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। এখন পর্যন্ত ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা। সময়মতো কাজ না হওয়ার পেছনে পদ্মা নদীর অননুমেয় রূপ, বন্যায় ভাঙন, করোনা পরিস্থিতিকে দায়ী করা হয়। গত বছরের ডিসেম্বরে সেতুর সর্বশেষ স্টিলের কাঠামো বা স্প্যান বসানোর পর মূলত কারিগরিভাবে জটিল কাজ শেষ হয়। যুক্ত হয় মুন্সিগঞ্জের মাওয়া এবং শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্ত।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।