ঢাকাশনিবার, ২০শে আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৭:৪৩
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে মাঠে নামছে দুই তাসমান প্রতিবেশী অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড

দৈনিক স্বরবর্ণ
নভেম্বর ১৪, ২০২১ ৭:২৫ অপরাহ্ণ
পঠিত: 160 বার
Link Copied!

কয়েক ঘণ্টা পরেই পর্দা উঠছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম সংস্করণে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে মাঠে নামছে দুই তাসমান প্রতিবেশী অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড।

দুই প্রতিবেশীরই শুধু নয়, অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের আজকের লড়াই দুই ঘরানার ক্রিকেটের লড়াইও বটে। এক দল যেখানে পাঁচ বোলারের শক্তিতে বলীয়ান হয়ে নামার কথা (ট্রেন্ট বোল্ট, টিম সাউদি, ইশ সোধি, মিচেল স্যান্টনার, অ্যাডাম মিলনে), সেখানে টুর্নামেন্টে অস্ট্রেলিয়া বেশির ভাগ সময় খেলিয়েছে অতিরিক্ত একজন স্বীকৃত ব্যাটসম্যানই।

তবে বিশ্বকাপ ফাইনালে এবারই যে প্রথম এই দুই প্রতিবেশী মুখোমুখি হচ্ছে, বলা যাবে না। ২০১৫ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালেও মেলবোর্নে মুখোমুখি হয়েছিল এই দুই দল। সেখানে মাইকেল ক্লার্কের অস্ট্রেলিয়ার দাপটের কাছে টিকতে পারেনি ব্রেন্ডন ম্যাককালামের নিউজিল্যান্ড।

শুধু এই ফাইনাল বলেই নয়, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ এলেই কেমন যেন অস্ট্রেলিয়ার সামনে মিইয়ে যায় কিউইরা। তাসমানিয়ান প্রতিবেশীদের বিপক্ষে বড় টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে দেখা হলেই নিজেদের সেরাটার কথা ভুলে যায় নিউজিল্যান্ড। দ্বিপাক্ষিক নয়, এমন যে কোনো টুর্নামেন্টে ফাইনাল বা অন্য নকআউট ম্যাচে দুই দলের খেলায় নিউজিল্যান্ডের সর্বশেষ জয় ১৯৮১ সালে!

বেনসন অ্যান্ড হেজেস ওয়ার্ল্ড সিরিজের প্রথম ফাইনালে জন রাইট আর রিচার্ড হ্যাডলির নৈপুণ্যে অস্ট্রেলিয়াকে ৭৮ রানে হারিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। পরের তিন ফাইনালে যদিও অস্ট্রেলিয়ানদেরই জয়জয়কার। উইলিয়ামসনদের সামনে তাই এ ম্যাচটা একটা গেরো কাটানোর উপলক্ষও বটে।

তবে মঞ্চটা যেহেতু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, সেখানে একটু হলেও সাহস পাচ্ছেন উইলিয়ামসন-বোল্টরা। ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মিচেল ম্যাকলেনাহানের আঁটসাঁট বোলিংয়ের জবাব দিতে না পেরে ৮ রানে হেরে গিয়েছিলেন ওয়ার্নার-স্মিথরা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার এটি দ্বিতীয় ফাইনাল, আর নিউজিল্যান্ড ফাইনালে উঠল এবারই প্রথম।

যে-ই জিতুক, এই সংস্করণে প্রথমবারের মতো শিরোপা জিতবে তারা। কিছু বিষয় শিরোপার লড়াইয়ে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে আজ। সেসবের দিকেই চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক-

আগে আগ্রাসী ব্যাটিং
দুবাইয়ের পিচে এই বিশ্বকাপে রাতে নয়টা ম্যাচ হয়েছে, সব কটিতেই জিতেছে পরে ব্যাট করা দল। তাই বলে আগে ব্যাট করা মানেই ম্যাচে হার? অবশ্যই নয়। সে ক্ষেত্রে প্রথমে যে দল ব্যাট করবে, তাদের শুরু থেকেই ধুন্ধুমার ব্যাটিং করতে হবে। সন্ধ্যার পরে দুবাইয়ে শিশির পড়ে, যা পরে ব্যাট করা দলকে সুবিধা দেয়।

তবে পরে ব্যাট করার দলের সাফল্যের পেছনে যে শুধু শিশিরই ভূমিকা রাখছে, তা কিন্তু নয়। শুরুতে ব্যাট করা প্রতিটি দলই এবার সাবধানী ব্যাটিং করছে। প্রথমে ব্যাট করা দল উইকেটপ্রতি মাত্র ১৭ করে রান তুলেছে,

 

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।