ঢাকাবৃহস্পতিবার, ২৬শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৪:২২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

একটি দুর্ঘটনার ফলে একটি গতিরোধক

জয়িতা দাস
ডিসেম্বর ১২, ২০২১ ১:৫৯ অপরাহ্ণ
পঠিত: 111 বার
Link Copied!

‘একটি দুর্ঘটনার ফলে একটি গতিরোধক। এভাবে আমাদের রাস্তাগুলোতে গতিরোধকের ঘনত্ব বেড়ে যাচ্ছে,’ বলছিলেন এম সামছুল হক। তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক ও পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক।

সামছুল হক জানান, দুর্ঘটনার পর ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে গতিরোধকের সংখ্যা বেড়ে ৪৩–এ গিয়ে ঠেকেছিল। ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে হওয়ার আগপর্যন্ত এই গতিরোধকগুলো ছিল। অনেক অপরিকল্পিত গতিরোধক রয়েছে ঢাকা মহানগরীর ভেতরেও। এর অভিজ্ঞতা অনেকের কাছেই সুখকর নয়।

ঢাকার বেড়িবাঁধের আজিম টাওয়ার এলাকায় দুটি গতিরোধকের পাশেই অবস্থিত সাইনেস্ট অ্যাপারেল লিমিটেড। এটির ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘রাত্রিবেলা আচমকা ব্রেক করতে গিয়ে বড় গাড়িগুলো হঠাৎ স্পিডব্রেকারে (গতিরোধক) ধাক্কা খায়। তখন আমাদের গার্মেন্টস ভবন পর্যন্ত কেঁপে ওঠে।’

বেড়িবাঁধের এই দুটি গতিরোধকে নেই কোনো সতর্কীকরণ নির্দেশক (সাইন)। নেই আলো প্রতিফলিত হয়—এমন রং বা মার্কিং।

গতিরোধকে নির্দেশকের বালাই নেই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ও উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অধিকাংশ সড়কে, বিশেষ করে গলিতে।
ডিএসসিসিতে গতিরোধকের সংখ্যা প্রায় ১৭৫ বলে জানায় সংস্থার যান্ত্রিক বিভাগ। অন্যদিকে, ডিএনসিসির কাছে গতিরোধকের কোনো হিসাব নেই।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।