ঢাকারবিবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ২:০০
আজকের সর্বশেষ সবখবর

লোভনীয় দামে পণ্য কেনার ফাঁদে আটকে পড়া গ্রাহকদের টাকা ফেরত চেয়ে বিক্ষোভ

জয়ন্তিকা
এপ্রিল ২৪, ২০২২ ১:০৬ অপরাহ্ণ
পঠিত: 69 বার
Link Copied!

‘ই-কমার্স’ শুনলেই এখন মনে হয় একদল মানুষ পণ্য কেনার জন্য কোম্পানিতে টাকা জমা দিচ্ছে; আর সেই কোম্পানি পণ্য তো দিচ্ছেই না, টাকাও ফেরত দিচ্ছে না। কিছু প্রতিষ্ঠানের প্রতারণামূলক কার্যক্রমের কারণে সাধারণ মানুষের কাছে ‘ই-কমার্স’এখন সন্দেহজনক এক শব্দের নাম।

অথচ ই-কমার্সের জন্মই জীবনকে সহজ করার জন্য। অনলাইনের এই যুগে মানুষের ক্রয় আচরণ পাল্টে যাচ্ছে। ভিড় ঠেলে অনেকেই বাজারে যেতে চান না। উন্নত দেশগুলোতে এই প্রবণতা বহু আগেই শুরু হয়েছে। বাংলাদেশেও জনপ্রিয় হচ্ছিল ই-কমার্স। আর কোভিড-১৯ আসার পর ই-কমার্সের প্রয়োজন বেড়েছে আগের চেয়ে অনেক বেশি। আবার ই-কমার্স সাইটে লেনদেনও এখন অনেক সহজ। ক্রেডিট কার্ড ও ডেবিট কার্ড তো আছেই, মোবাইলে আর্থিক সেবা (এমএফএস) অর্থাৎ বিকাশ, রকেটেরও গ্রাহকসংখ্যা এখন অনেক বেশি।

অথচ দেশে ই-কমার্স খাত এখন চরম ভাবমূর্তিসংকটে। এ জন্য সরকারের দূরদৃষ্টির অভাব ও উদ্যোগহীনতাই অনেকখানি দায়ী। এ খাতের উন্নয়নে যে সময়ে যে কাজ করা দরকার ছিল, তা করা হয়নি। এ বিষয়ে সরকারের চার সংশ্লিষ্ট সংস্থা হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ এবং অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন বা এটুআই (বর্তমানে অ্যাসপায়ার টু ইনোভেশন) প্রকল্প।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইক্যাব) তথ্য অনুযায়ী, দেশে ই-কমার্স শুরু হয় ১৯৯৯ সালে। তবে পূর্ণাঙ্গ ও পেশাদার ই-কমার্সের যাত্রা শুরু তারও ১০ বছর পর অর্থাৎ ২০০৯ সালে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।